John Milton (1608-1674)

- English - English Literature | NCTB BOOK
1.9k

John Milton (1608-1674)

Works:

  • Paradise Lost (An epic poem): It attempted to Justify the ways of God to man
  • Paradise Regained
  • Lycidas

১৬০৮ সালে ৯ ডিসেম্বর লন্ডন শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পিতা ছিলেন একজন শিক্ষিত মানুষ এবং উঁচু পদের করণিক। মূল পেশা ছিল দলিল-দস্তাবেজ তৈরি করা। সঙ্গীতেরও সমঝদার ছিলেন তিনি।

১৬৫২ সালে হঠাৎ করেই তিনি একেবারে অন্ধ হয়ে যান। এ অবস্থায় তিনি তার বিখ্যাত কাব্য 'প্যারাডাইস লস্ট' রচনা করেন। তার এই কাব্য তাঁকে খ্যাতি ও সম্মান এনে দেয়।

তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মগুলোর মাঝে উল্লেখযোগ্য হলো প্যারাডাইস লস্ট (১৬৬৭), প্যারাডাইস রিগেন্ড (১৬৭১), স্যামসন, এগোনিস্টিস (১৬৭১)। ১৬৭৪ সালে এই যুগন্ধর কবি ইহলোক ত্যাগ করেন। মিলটনকে বলা যায় তাঁর সময়কালের একজন আপসহীন সংগ্রামী সেনানায়ক।

তিনি "প্যারাহডাইজ লস্ট" মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :

i) John Milton ছিলেন The great master of Blank Verse.

ii) Paradise Lost মূলত একটি Epic.

iii) John Milton এর একটি উল্লেখযোগ্য Elegy হলো Lycidas.

iv) Paradise Lost মহাকাব্যের একটি বিখ্যাত লাইন হলো "Better to reign in Hell then serve in Heaven"

v) ১৬৫২ সালে হঠাৎ করেই তিনি একেবারে অন্ধ হয়ে যান।

vi) Paradise Lost(Epic) তার বিখ্যাত কর্ম।

vii) এছাড়াও তার একটি মহাকাব্য (Epic) হলো Paradise Regained.

viii) তার অন্যান্য রচনার মধ্যে "O Nightingale", "How Soon Hath Time" হয় দুটি Sonnets.

ix) Areopagitica একটি Phamplet যা লেখা হয়েছিল লেখক, প্রকাশক ও প্রকাশনা সংস্থার স্বাধীনতার জন্য।

x) Paradise Lost মহাকাব্যের একটি বিখ্যাত লাইন হলো "Better to reign in Hell then serve in Heaven"

xi) Paradise Lost মহাকাব্যের চরিত্রগুলো হলো Adam, Eve, Satan, Beelzebub, Mammon.

xii) "Paradise Regained" (in four books) and "Samson Agonistes" (a noble drama on the Greek model).

xiii) “প্যারাহডাইজ লস্ট” এর থিম হচ্ছে "Justify the ways of God to men" এখানে কেন্দ্রিয় চরিত্র হচ্ছে 'শয়তান'।

xiv) Paradise Lost is separated into twelve "books" or sections, the lengths of which vary greatly (the longest is Book IX, with 1,189 lines, and the shortest Book VII, with 640). It is Originally divided into ten, afterwards into twelve books.

His famous Works :

a. Paradise Lost(Epic)
b. Paradise Regained (in four books)
c. Samson Agonistes (a noble drama on the Greek model).
d. Lycidas.(Elegy)

শর্ট টেকনিক: LIPS

L = Lycidas (elegy)

I=

P = Paradise Lost (epic poet), Paradise Regained

S = Samson Agonistes.

John Milton এর কিছু বিখ্যাত Quotations :

  1. "Better to reign in Hell than serve in Heaven." (স্বর্গের দাসত্ব থেকে নরকের রাজত্ব অনেক ভাল) Speech of Satan. (Paradise Lost)
  2. Childhood shows the man, As morning shows the days. (সকালেই বোঝা যায় দিনটি কেমন যাবে তেমনি শিশু বেলায় বোঝা যায় মহৎ মানুষের প্রতিচ্ছবি /"উঠন্তি মুলো পত্তনেই চেনা যায়”) (Paradise Regained)

অন হিজ ব্লাইন্ডনেজ

সারাংশ:

কবিতার শুরুতে কবি ঈশ্বরের কাছে অভিযোগ করেছেন যে, তিনি অর্ধজীবন অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কবিকে অন্ধ করে দিয়েছেন। এই বিশাল পৃথিবীটা তাঁর কাছে এখন অন্ধকার। ফলে যে কাব্য প্রতিভা ঈশ্বর কবিকে দিয়েছেন তা এখন অব্যবহৃত, যদিও কবির ইচ্ছা কাব্য লেখার মাধ্যমে ঈশ্বরের সেবা করার, কিন্তু অন্ধত্বের কারণে তিনি তা পারছেন না। যখন ঈশ্বরের কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে, তখন এই অব্যবহৃত কাব্য প্রতিভার জন্য কবি ঈশ্বরের কাছে তিরস্কার পাবেন। তারপরও ব্যথাতুর মনে কবির আত্মজিজ্ঞাসা 'অন্ধ হওয়ার পরও কি ইশ্বর তার দানের সঠিক হিসাব নিবেন। 'পরক্ষণেই কবি বুঝতে পারেন যে, ঈশ্বরের মানুষের সেবা বা উপহারের কোনো প্রয়োজন নেই। সহস্র দেবদূত তাঁর অধীনে এবং ঈশ্বরকে আদেশ পালন করতে ধৈর্য সহকারে অপেক্ষারত। তারা কোনো অভিযোগ না করেই ঈশ্বরের সর্বোত্তম সেবা দিচ্ছে। তাই কবিও মনে করেন, মানুষ নিজেকে ঈশ্বরের নিকট সমর্পণ করতে হবে অভিযোগহীনভাবে।

১. তিনি একটা শোককাব্য লেখেন। নাম লিসিডাস (Lycidas)। রচনাকাল ১৬৩৭ খ্রীঃ। মিল্টনের এক সহপাঠী বন্ধু আইরিশ সমুদ্রে ডুবে মারা যান। এই বন্ধুর বিয়োগব্যথাই কাব্যটির উৎস। লিসিডাস হচ্ছে একজন মেষপালক। মেষপালকের রূপকে এই রাখালিয়া শোকগীতি (Pastoral Elegy)-তে কবির বেদনা ব্যক্তিগত দুঃখের ঊর্ধ্বে সর্বজনীন রূপ নিয়ে দেখা দিয়েছে। আর এই রূপকের অন্তরালে কবির ধর্মচেতনারও সুন্দর প্রকাশ ঘটেছে।

২. ইংরেজী সাহিত্যে 'প্যারাডাইস লস্ট' (Paradise Lost) এর তুলনা নেই। এর বেশির ভাগ অংশ আদম ও ঈভকে নিয়ে। জ্ঞানবৃক্ষে ফল খাওয়ার পূর্বেকার আদম ও ঈভের স্বর্গজীবন, শয়তান কর্তৃক প্রলুব্ধ হয়ে জ্ঞানবৃক্ষের ফল খাওয়ার ফলে তাঁদের স্বর্গচ্যুতি, শয়তানের ষড়যন্ত্র এবং ভগবৎশক্তির কাছে পরাজয় এই কাহিনির বিষয়বস্তু। কাব্যের স্বর উদাত্ত, বৈদিক সামন্তোত্রের মতই আকর্ষণীয়। দ্বাদশ স্বর্গের শেষ অংশে যেখানে দেবদূত মাইকেলের কণ্ঠে মহাপুরুষের আবির্ভাবের ভবিষ্যদ্বাণী ধ্বনিত হয়েছে, মানবমুক্তির কথা। স্বর্গ, মর্ত ও নরকের চরিত্র ও দৃশ্যাবলী এই কাব্যে বিস্ময়কর এক মহাজাগতিক রূপ নিয়ে বর্ণিত হয়েছে।

'প্যারাডাইস রিগেইন্ড' (Paradise Reganed) চারটি সর্গে রচিত। এই কাব্যটি পূর্ববর্তী 'প্যারাডাইস লস্ট' এর পরিপূরক অংশ। যীশুখ্রীষ্টের আগমন এবং তার সাধনা মানবমুক্তির পথ প্রশস্ত করল। শয়তান এখানে হতবল কিন্তু কৌশলী ও একটা বিকলাঙ্গ চরিত্র হয়ে উঠেছে। 'প্যারাডাইস লস্ট' এর শয়তানের যে বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব দেখা যায় তা এখানে নেই। কাহিনি মূলত 'বাইবেল' অবলম্বনে লেখা। যীশুখ্রীষ্টের জীবনের মধ্য দিয়েই স্বর্গ জয় ও প্রাপ্তির দৃষ্টান্ত দেখানো হয়েছে। কাব্য সৌন্দর্য এখানে আছে, তবে সমগ্রভাবে কাব্যটি 'প্যারাডাইস লস্ট'-এর সমকক্ষ নয়।

৪. 'স্যামসন আগোনিস্টিস্' (Samson Agonistes) কবির 'প্যারাডাইস রিগেইনড' এর সঙ্গে প্রকাশিত হয়। এই কাব্য গ্রন্থটি কবির শেষ রচনা। নাট্যকাব্যটিতে কবির নিজের ছায়া পড়েছে। ইসরায়েলের বীর নেতা স্যামসন অন্ধ ও অসহায় হয়ে ফিলিস্তিনিদের দাসত্ব স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন। এই প্যালেস্টাইনের প্রভুদের আনন্দ দানের জন্য অন্ধ স্যামসনকে প্রমোদ স্থলে নিয়ে আসা হয়। স্যামসন সেই প্রমোদ-প্রাসাদের স্তম্ভ বিচ্যুত করেন। ফলে প্রাসাদের ছাদ ভেঙ্গে পড়ে এবং উপস্থিত দর্শক-প্রভুদের মৃত্যু ঘটে। গ্রীক ট্র্যাজেডির ধরনের লিখিত এই নাট্যকাব্যে অন্ধ স্যামসনের চরিত্র নির্মাণে কবির আপন জীবনের প্রক্ষেপণ ঘটেছে। স্যামসনের মতোই মিল্টন জীবনযুদ্ধে পড়াজিত, আশাভঙ্গে নিরুৎসাহ, রোমান্টিক কবির মতই বিষাদগ্রস্ত অথচ ক্লাসিক কবির মতই আদর্শে অবিচল।

Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...